হোম পেজ


পুরনো ওয়েবসাইটে যেতে হলে এখানে ক্লিক করুন


ফতোয়াবাজিতে ধর্মীয় মূল্যবোধ ক্ষুণ্ন হয়

যাহারা ঈমান এনেছ! তোমরা আনুগত্য কর আল্লাহ্‌র এবং আনুগত্য কর রাসুলের এবং তাহাদের যারা তোমাদের মধ্যে আদেশ দেয়ার অধিকারী। অতঃপর যদি কোন বিষয়ে তোমরা মতভেদ কর তাহলে তোমরা উহা আল্লাহ্‌ এবং রাসুলের প্রতি সমর্পণ কর যদি তোমরা আল্লাহ্‌ এবং শেষ দিবসের উপর ঈমান রাখ। ইহা বড়ই কল্যাণজনক এবং পরিণামের দিক দিয়ে অতি উত্তম (সূরা ৪:৬০)।   সংলাপ ॥ কোন রাষ্ট্রের সংবিধান, সেই রাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য পবিত্র আমানত এবং ধর্মীয় পুস্তকের মতো পবিত্র। তাকে মেনে চলার অর্থই হল নাগরিক ধর্ম-পালন করা। ব্যক্তি জীবনে আমরা যে ধর্মাবলম্বীই হই না কেন জাতি হিসাবে যখন আমার পরিচয় আসে তখন প্রথম আমি বাঙালি ও বাংলাদেশ রাষ্ট্রের কথা আসে। বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্র এমনকি সৌদি আরবেও এর বাস্তবতা দেখেছি। ১৯৮২/৮৩ সন হবে সৌদি আরবে ‘আরব নিউজ’ পত্রিকায় সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলিষ্ঠ কণ্ঠে এক সাক্ষাৎকারে বলেন - প্রথমে [বিস্তারিত...]

সত্যমানুষ হওয়ার আহবানে - সংলাপের ২৩ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপিত হলো

সত্যমানুষ হওয়ার আহবানে -  সংলাপের ২৩ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপিত হলো  যারা হত্যাকারী তারা ইসলামকে ব্যবহার করে, ধর্মের নামকে ব্যহার করে এবং ধর্মের প্রতি মানুষের যে সহজাত দুর্বলতা সেটাকে কাজে লাগিয়েই তারা হত্যাকাণ্ড ঘটায়। বাংলাদেশ সৃষ্টির সময়েও তারা ধর্মের নামে এই কাজটি করেছে। - প্রধান অতিথি আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি, মাননীয় মন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়   শাহ্‌ সারফুল ইসলাম ॥ ‘এদেশে সাংবাদিকতা একসময় মিশনারী কাজ ছিল। আমার জানামতে সাপ্তাহিক বর্তমান সংলাপ  এর সঙ্গে যে সব সাংবাদিক সংবাদকর্মী জড়িত তারা একে মিশনারী কাজ হিসেবেই বেছে নিয়েছেন এবং স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে পত্রিকাটিকে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ করে আসছেন-যা সাম্প্রতিককালের সংবাদপত্র প্রকাশনা ও সাংবাদিকতার জগতে একটি নতুন অধ্যায় তৈরী করেছে।’ বর্তমান সংলাপ নিয়ে এই মন্তব্যটি করেছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক, সাংবাদিক নেতৃত্বের জনপ্রিয় মুখ, বর্তমানে বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের (পিআইবি) মহাপরিচালক শাহ আলমগীর। বর্তমান সংলাপ কেন করছে কেন পারছে প্রতিকূল স্রোতে ভেসে এই অসাধ্য সাধন করতে? এর উত্তরও খুঁজেছেন শাহ আলমগীর- [বিস্তারিত...]

বর্তমান সংলাপের ২৩ বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের বিস্তারিত ভাবধারা....

বর্তমান সংলাপের ২৩ বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের বিস্তারিত ভাবধারা.... আ ক ম মোজাম্মেল হক এম পি প্রধান অতিথি, মাননীয় মন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিক উদ্‌যাপন এবং গুণীজন সংবর্ধনা সভার সম্মানীত সভাপতি শাহ্‌ সূফী ড. মেজবাহ-উল ইসলাম, আমাদের সামনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রেখেছেন স্থানীয় সরকার পর্যায়ে যিনি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য দীর্ঘদিন যাবত আন্দোলন করে আসছেন, আমার অত্যন্ত আপনজন নারায়নগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভি, আজকে যারা সম্মাননা পেয়েছেন, বরণ করে নেয়া হয়েছে গুণীজন হিসেবে তাদের মধ্যে আছেন লালনকন্যা আমাদের দেশের, যাকে নিয়ে আমরা গর্ব করি, গর্বিত সঙ্গীতশিল্পী  ফরিদা পারভীন এবং আপনারা জানেন যে, তিনি ইতোমধ্যেই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সুনাম অর্জন করেছেন তাকে আজকে গুণীজন সম্মাননা দেয়া হয়েছে। যারা মুক্তিযুদ্ধে বিশিষ্ট অবদান রেখে গেছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় গৌরবোজ্জল ভূমিকা পালন করে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে জীবনকে বাজি রেখে দেশ স্বাধীন করার জন্য যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছেন এবং গাজী হয়ে [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা.... সুভাস বসুর কারণেই স্বাধীন হয়েছে ভারত!

সময়ের সাফ কথা....  সুভাস বসুর কারণেই স্বাধীন হয়েছে ভারত! সংলাপ ॥ মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর অহিংস আন্দোলন নয় বরং নেতাজি সুভাস বসুর নেতৃত্বাধীন আজাদ হিন্দ ফৌজের তৎপরতার কারণেই ভারত স্বাধীন হয়েছে। সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ক্লিমেন্ট অ্যাটলি এ কথা বলেছেন। অ্যান ইন্ডিয়ান সামুরাই নামের প্রকাশিতব্য বইতে এ দাবি করেছেন ভারতের সামরিক ইতিহাসবিদ জেনারেল জিডি বকশী। ভারতীয় কোনো কোনো সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরে এ দাবি করা হয়েছে। ভারতের স্বাধীনতা অর্জনের ক্ষেত্রে গান্ধীর নেতৃত্বাধীন অহিংসা আন্দোলনের ভূমিকা স্পষ্ট ভাষায় অ্যাটলি নাকচ করে দিয়েছেন বলেও বইতে দাবি করা হয়েছে। ১৯৫৬ সালে অ্যাটলি এবং পশ্চিমবঙ্গের গভর্নর বিচারপতি পি বি চক্রবর্তীর মধ্যে আলাপচারিতার ভিত্তিতে এ দাবি করেছেন জেনারেল জিডি বকশী। ভারতকে স্বাধীনতা দেয়ার ঘোষণায় সই করেছিলেন অ্যাটলি। ১৯৫৬ সালে ভারত সফরে এসে কোলকাতায় পিবি চক্রবর্তীর আতিথ্য গ্রহণ করেছিলেন অ্যাটলি। চক্রবর্তী সে সময়ে কোলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। কোলকাতায় অ্যাটলি দু’দিন ছিলেন এবং সে সময়ে ভারতকে স্বাধীনতা [বিস্তারিত...]

রাশিয়া তুর্কি নয়া পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

রাশিয়া তুর্কি নয়া পাল্টাপাল্টি অভিযোগ সংলাপ ॥ রুশ জঙ্গি বিমান আবারও তুরস্কের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে বলে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান অভিযোগ করেছেন। তিনি তার ভাষায় ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন পদক্ষেপ না নিতে’ মস্কোকে সতর্ক করে দিয়েছেন। ন্যাটো জোটও বলেছে, রাশিয়ার উচিত এমন সব ব্যবস্থা নেয়া যাতে তুরস্কের আকাশ-সীমা লঙ্ঘন করা হচ্ছে না বলে নিশ্চিত হওয়া যায়। সিরিয়ার সন্ত্রাসীদের ওপর হামলা চালানোর সময় তুরস্কের আকাশসীমার প্রতি ‘পরিপূর্ণ সম্মান’ রাখা উচিত বলেও ন্যাটো জোট মন্তব্য করেছে। রাশিয়ার কয়েকটি জঙ্গি বিমান গত শুক্রবার আবারও তুরস্কের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে বলে তুরস্ক ও ন্যাটো জোট দাবি করছে। এই অভিযোগ তোলার পর তুর্কি সরকার আঙ্কারায় নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে এবং তুর্কি আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনা মারাত্মক পরিণতি বয়ে আনবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তুর্কি সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছে, তুর্কি আকাশসীমা লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি দেয়ার পর তুরস্কের বিমান বাহিনীতে কমলা রংয়ের সতর্কাবস্থা জারি করা [বিস্তারিত...]

তালেবান আগের চেয়েও শক্তিশালী হচ্ছে !!!!

তালেবান আগের চেয়েও শক্তিশালী হচ্ছে !!!!সংলাপ ॥ আফগানিস্তানে মার্কিন আগ্রাসনের ১৪ বছর পরেও তালেবানের অবস্থান আগের চেয়ে শক্তিশালী হয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসে দেয়া প্রতিবেদনে এ কথা বলেছেন স্পেশাল ইনপেক্টর জেনারেল ফর আফগানিস্তান রিকনস্ট্রাকশন বা এসআইজিআর। গতকাল এ প্রতিবেদন কংগ্রেসে পেশ করা হয়েছে। এতে আরো স্বীকার করা হয়েছে, ২০০১ সালে মার্কিন বাহিনীর আগ্রাসনের পর এখন তালেবান গোষ্ঠী দেশটির সবচেয়ে বেশি জায়গা নিয়ন্ত্রণ করছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, আফগানিস্তানের নাজুক অর্থনীতির অবনতি ঘটছে। এছাড়া দেশটি পুনর্গঠন তৎপরতার ক্ষেত্রে কলঙ্কজনক নানা জালিয়াতি ঘটেছে। মার্কিন অর্থায়নে পুনর্গঠন প্রকল্পগুলো নিরাপত্তার অভাবে পরিদর্শন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে বলে জানানো হয়েছে এ প্রতিবেদনে। মার্কিন কর্মকর্তারা তো নয়ই, এমনকি আফগান কর্মকর্তারাও এসব প্রকল্প পরিদর্শনে যেতে পারছেন না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আফগানিস্তান পুনর্গঠনে আমেরিকা ১১৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে বলে দাবি করা হয় এ প্রেতিবেদনে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর মার্শাল প্ল্যানের আওতায় পশ্চিম ইউরোপ পুনর্গঠনে যে অর্থ [বিস্তারিত...]

ইরান-সৌদি সম্পর্ক ছিন্ন

ইরান-সৌদি সম্পর্ক ছিন্নসংলাপ ॥ ইরানের সঙ্গে সৌদি আরব কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করায় পারস্য উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর বিমান পরিবহন সংস্থাগুলো চরম ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এরই মধ্যে এসব এয়ারলাইনের ক্ষতি হয়েছে কোটি কোটি ডলার। প্রখ্যাত সৌদি শিয়া আলেম শেখ নিমরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর এবং তেহরানের পক্ষ থেকে তার তীব্র প্রতিবাদের জের ধরে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করে সৌদি আরব। দেশটির দেখাদেখি বাহরাইনও তেহরান থেকে তার দূতাবাস গুটিয়ে নেয়। তেহরানের সঙ্গে রিয়াদের সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করার ফলে ইরান থেকে সৌদি আরবে ওমরাহ হজ্ব করতে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। সেই সঙ্গে সৌদি আরব ও বাহরাইন থেকে ইরানের পবিত্র স্থানগুলো জিয়ারত করতে আসাও বন্ধ করে দিয়েছেন শিয়া মুসলমানরা। প্রতি বছর লাখ লাখ ইরানি নাগরিক সৌদি আরবে ওমরা হজ্ব করতে যেত। এখন তাদের সে সফর বাতিল হওয়ায় অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রিয়াদ। এছাড়া, এতদিন ইরানের ওপর [বিস্তারিত...]

ভাসমান পরমাণু স্থাপনা বানাবে চীন

ভাসমান পরমাণু স্থাপনা বানাবে চীনসংলাপ ॥ বিজ্ঞানীরা ‘মেরিন ফ্লোটিং পাওয়ার স্টেশন’ নামে ভাসমান পরমাণু স্থাপনা বানানোর পরিকল্পপনা করছেন। এ পরিকলনা বাস্তবায়ন করা গেলে দেশটি নিজের প্রয়োজনেসমুদ্রের ওপর দিয়ে পরমাণু স্থাপনা এক জায়গা থেকে সরিয়ে অন্য জায়গায় নিতে পারবে এবং প্রয়োজন মতো বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। চীনের আণবিক শক্তি সংস্থার চেয়ারম্যান শু দাঝে এক সংবাদ সম্মেলনেবলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে চীনের নতুন সক্ষমতা প্রমাণ হবে। তিনি বলেন, “চীন একটি সামুদ্রিক পরমাণু স্থাপনা বানানোর বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আমরা নিশ্চিতভাবে সমুদ্র সম্পদের পূর্ণ ব্যবহার করব।” বলা হচ্ছে - যদিও সমুদ্রে বিশেষ করে বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ও ক্ষেপণাস্ত্রবাহী সাবমেরিনে পরমাণু শক্তির ব্যবহার কোনো অসাধারণ বিষয় নয়; তবে সমুদ্রভিত্তিক বেসামরিক কাজে পরমাণু শক্তি ব্যবহারের নজির [বিস্তারিত...]

বিক্ষোভ, পুলিশের বিচার দাবি

সংলাপ ॥ গতমাসে মার্কিন পুলিশের হাতে একজন অ্যাফ্রো-আমেরিকান কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিকের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ফ্রানসিস্কো শহরে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। ২৬ বছর বয়সি মারিও উডসকে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভকারীরা গত শনিবার ইউনিয়ন স্কয়ারে মিছিল বের করে শহরের পুলিশ প্রধান গ্রেগ সুহরের পদত্যাগ দাবি করেন। বিক্ষোভকারীরা মিছিল নিয়ে সুপার বাউল শহরের দিকে এগিয়ে যায়। মারিও উডসের হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচারের স্বার্থে সুহরকে বরখাস্ত করার জন্য বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেয়। উডসের সঙ্গে থাকা ছুরি মাটিতে ফেলে দেয়ার একটি নির্দেশ অমান্য করার পর গত ২ ডিসেম্বর কয়েক পুলিশ কর্মকর্তা তাকে লক্ষ্য করে অন্তত ১৫ রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। গুলি করার এই দৃশ্য দূর থেকে ভিডিও’তে ধারণ করেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। এর প্রতিবাদে এর আগেও কয়েকবার বিক্ষোভকারীরা পুলিশ প্রধান সুহরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন। বিক্ষোভকারীদের দাবি প্রত্যাখ্যান করে উল্টো এই ধরনের হত্যাকাণ্ডের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন সুহর। নিহত উডস পুলিশ কর্মকর্তাদের [বিস্তারিত...]

জনগণই ক্ষমতার উৎস দলের চেয়ে দেশ বড়

সংলাপ ॥ বিদেশীদের সাহায্য নিয়ে, দেশের মধ্যে মিথ্যাচার-দুর্নীতি চলতে দিয়ে, প্রশাসন কাঠামো আমলাতন্ত্রের ইচ্ছামতো পরিবর্তন করে, রাজনৈতিক ইসলাম ও ধর্মান্ধদের সাহায্য নিয়ে এবং আঁতাত করে ক্ষমতায় আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকা যায় বিশেষ করে বাংলাদেশে। বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থায় সর্বস্তরে সত্য প্রতিষ্ঠায় সরকার দৃঢ় প্রত্যয়ী না হলে জাতির আশীর্বাদ পাওয়া কঠিন। জাতির আশীর্বাদ না পেলে আল্লাহ্‌র রহমত পাওয়া দুরূহ হয়ে ওঠে। বাংলাদেশ ওলী-আল্লাহ্‌দের দেশ। সহস্রাধিক সাধক এই মাটিতে শুয়ে আছেন। তাঁরাও দেশ ও জাতির কল্যাণে অন্তরালে থেকে সত্য প্রতিষ্ঠায় নিবেদিত প্রাণ ছিলেন ও আছেন। তাই দেশের সর্বস্তরের ৭০ ভাগ মানুষ জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে তাঁদেরকে অন্তরের অন্তঃস্থলে ধারণ করে রেখেছেন। আল্লাহ্‌‌ও তাঁদের সহায় আছেন। সব ধরণের চক্রান্তকে পরাস্ত করতে দেশের গরিব মানুষের ঐক্যের ভিতটাকে আরও মজবুত করার জন্য আত্মনিয়োগ করাই হবে এই মুহূর্তে সরকারের জরুরি কর্তব্য। সবকিছুর উর্দ্ধে উঠে সার্বিক অঙ্গনে সত্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শান্তির [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা.... ওয়াহিদুল হকের বাংলা

সময়ের সাফ কথা.... ওয়াহিদুল হকের বাংলাসংলাপ ॥ ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও পরিচয় না থাকলেও একজন লেখক সাংবাদিক বা কলামিস্ট শুধুমাত্র তাঁর লেখনী দ্বারা একজন পাঠকের কাছে যে কত আপন হয়ে উঠতে পারেন তার এক বড় উদাহরণ তিনি। যাঁর নাম ওয়াহিদুল হক। ২৭ জানুয়ারি তারিখটি হলো তাঁর প্রয়াণদিবস। ২০০১ সালের অক্টোবরে ক্ষমতার শীর্ষে অবস্থানকারীদের যোগসাজশে সীমাহীন লুটপাট, অনিয়ম, সন্ত্রাসে জর্জরিত বাংলার মানুষের কথাগুলো তাঁর নিজের মতো বলতে পেরেছিল আর ক’জন? একদিকে গণতন্ত্রের ছদ্মাবরণে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, অপরদিকে মানুষের দুঃখ-কষ্ট ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে পুঁজি করে সীমাহীন কালো টাকার মালিক ও সঙ্গে দেশী-বিদেশী ব্যবসায়ী কোম্পানীগুলোর রমরমা মিডিয়া বাণিজ্যের প্রসারেও তিনি ছিলেন সমভাবে ব্যথিত। হাজার বছরের বাংলা ও বাঙালি, এর ইতিহাস, ঐতিহ্য, প্রকৃতি, অসামপ্রদায়িক চেতনা, সুরসাধনাকে যিনি ধারণ, লালন ও পালন করেছেন সারাটা জীবন তিনি বাংলার দুঃখে, লাঞ্ছনায় ব্যথিত হবেন সেটাই তো স্বাভাবিক। রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সমূহ যেখানে গুটি কয়েক [বিস্তারিত...]

আরব কবে মুহাম্মদী আরব হবে!

সংলাপ ॥ ‘গাছ থেকে আপেল নিচের দিকে পড়ে কেন? উপরের দিকে যায় না কেন? ঠিক বরাবর নিম্নগামীই বা হয় কেন?’ এ প্রশ্নগুলোই জেগেছিলো বিজ্ঞানী নিউটনের মনে। আর এরূপ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই নিউটন আবিষ্কার করেন মধ্যাকর্ষণ তত্ত্ব। যার উপর ভিত্তি করে মহাকর্ষ বিজ্ঞান পথ করে নেয় সম্মুখপানে। উদ্ভাবিত হয় সভ্যতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা বহু বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার। বৈজ্ঞানিক নিউটনের মনে উদয় হওয়া এই প্রশ্নের বহু আগে থেকেই গাছ থেকে আপেল ঝরে আসছিলো এবং তা দেখেও আসছিলো কোটি কোটি মানুষ। কিন' নিউটনের মতো কাউকে বিষয়টি ভাবায়নি। এ নিয়ে কেউ গভীরভাবে ভাবেনি। তলিয়ে দেখিনি এর কার্যকারণ। গভীর পর্যবেক্ষণ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণেই কেবল  উন্মোচন ঘটে সত্যের, দূর হয় মিথ্যার, অবসান ঘটে অন্ধকারের। গোটা পৃথিবীতে আজ মুসলমান বলে পরিচিত জনগোষ্ঠীর সামনে এক কঠিন সময়। দেশ, অঞ্চল ও স্থানভেদে তীব্রতার তারতম্য থাকলেও দুর্ভোগ, দুর্যোগ, দুর্ভাবনা, [বিস্তারিত...]

তথাকথিত জিহাদের বিরুদ্ধে জিহাদ

সংলাপ ॥ কোন রাষ্ট্রই এখন দার-উল হরব বা ধর্মযুদ্ধের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ নয়। সবদেশেই এখন সমবেত ধর্ম র্চচা ও চর্যা হয়। বিশ্বে মুসলমানদের আত্মপরিচয়েও সঙ্কট নেই। ১৮৫৭ সালে সিপাহি বিদ্রোহের পরের সঙ্কট থেকে মুক্তির জন্য-মক্কার ইমাম, আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের মুফতি এবং ভারতীয় উলামারা ফতোয়া জারি করে এই মর্মে যে ভারতবর্ষ ধর্মযুদ্ধের দেশ নয়। ওই ফতোয়া জানিয়ে দেয়া হয়েছিল মুসলিম উম্মাকে। ভারতবর্ষ ভাগের পর সাময়িক বিভিন্ন সংশয় তৈরি হলেও গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষ আবহ প্রতিটি জনগোষ্ঠির সর্বমুখী নিরাপত্তাকে ক্রমাগত মজবুত করেছে। বাণিজ্যে, সংস্কৃতিতে, রাজনীতিতে সবার অবাধ অংশগ্রহণ সব রাষ্ট্রে স্বীকৃত। আরেক অর্থে, ইন্দোনেশিয়া কিংবা পাকিস্তানের জনসংখ্যার তুলনায় বর্তমান ভারতই বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম অধ্যুষিত, যেখানে রাষ্ট্র এবং সংবিধান তাদের প্রতিটি অধিকারকে গণ্য করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার শীর্ষারোহণের দরজাকেও উন্মুক্ত রেখে। দূরের কিংবা কাছের মুসলমান দেশ যা পারেনি, ভারত তা পেরেছে অনায়াসে, নিঃসংশয়ে। ভারতের পথ নৃশংস, নৈরাজ্যের [বিস্তারিত...]

অবশেষে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলো

অবশেষে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলোসংলাপ ॥ ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান ও ছয় জাতিগোষ্ঠীর মধ্যকার ঐতিহাসিক চূড়ান্ত পরমাণু সমঝোতা বাস্তবায়ন হওয়ায় বিশ্ব নেতাদের অনেকেই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। গত শনিবার শেষ বেলায় অষ্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান ফ্রেডেরিকা মোগেরিন ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ ঘোষণা করেন যে, তেহরানের ওপর আরোপিত সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। ভিয়েনায় এ ঘোষণা দেয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে একটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন। হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে এ কথা নিশ্চিত করা হয়েছে। ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে সই হওয়া চূড়ান্ত সমঝোতা ইরান সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করেছে বলে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা বা আইএইএ নিশ্চিত প্রতিবেদন দেয়ার পর ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়। নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বলেছেন, “পরমাণু ইস্যুতে ইরান উচ্চাভিলাষী বহুসংখ্যক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি ক্রান্তিকাল [বিস্তারিত...]

আবার নিষেধাজ্ঞা!

পরবর্তীতে ইরানের ওপর আবারও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে আমেরিকা। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্পের কারণে তেহরানের ওপর এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। পরমাণু ইস্যুতে ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের একদিন পরই আমরিকা নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, পাঁচজন ইরানি নাগরিক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ও চীন-কেন্দ্রিক একটি ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ককে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, তৃতীয় দেশের মাধ্যমে এসব কোম্পানি কৌশলে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির জন্য স্পর্শকাতর উপাদান বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত ছিল এবং পাঁচ ইরানি নাগরিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির উপাদান কেনার কাজ করতেন। মার্কিন অন্যতম সহকারী অর্থমন্ত্রী অ্যাডাম জে এসজুবিন দাবি করেছেন, “ইরানের ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং সে কারণে ইরানকে লক্ষ্য করে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ অব্যাহত থাকবে।” গত ১১ অক্টোবর ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী [বিস্তারিত...]

ইরানী ইসলাম ও সৌদি বাদশাহী ইসলাম দ্বন্দ্বের অন্তরালে!

সংলাপ ॥ আরব-পারসিয়ান মতাদর্শ নিয়ে নানান বিশ্লেষণ চলছে। শিয়া-সুন্নি বিরোধটা একেবারেই গৌণ হলেও বর্তমানে তা সামনে চলে এসেছে ধর্মীয় আধিপত্য নিয়ে। সৌদি আরব রাষ্ট্রীয়ভাবে সুন্নি পথ লালন করে না। সৌদি আরব রাষ্ট্রীয়ভাবে ওহাবি মতবাদ ও পথ তথা সালাফিজম লালন করে যা বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ধর্মীয় জঙ্গিবাদ প্রচার ও প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তবে মুসলমান বিশ্বে সুন্নিরা সংখ্যাগরিষ্ট হওয়ায় ইরান-সৌদি দ্বন্দ্বকে শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্বে রূপান্তর করা সৌদি আরবের জন্য এক ষড়যন্ত্র; তাই সৌদি আরব ইরান-সৌদি দ্বন্দ্বকে শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্বে রূপ দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। সৌদি আরবের নেতৃত্বে সামরিক জোট গঠনের উদ্দেশ্যই হল শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব জাগিয়ে তোলা। এই জোট কার্যকর হলে লাভের ষোল আনাই যাবে সৌদি বাদশাহীর পক্ষে। কার্যকর না হলেও সুবিধাবাদী মুসলমানদের সমর্থনে তাত্ত্বিকভাবে ওহাবী মতবাদ আর এক ধাপ এগিয়ে যাবে সৌদি আরবের বাদশাহী ঠিক রাখতে। আরব-পারসিয়াদের প্রায় তিন হাজারের দ্বন্দ্ব ইতিহাসে [বিস্তারিত...]

প্যারিস ধাঁচেই জঙ্গি হানা জাকার্তায়

প্যারিস ধাঁচেই জঙ্গি হানা জাকার্তায়সংলাপ ॥ গাড়ির আড়াল থেকে চলছে গুলির লড়াই। রাস্তায় পড়ে ছিন্নভিন্ন দেহ। মুম্বইয়ের লিওপোল্ড কাফে থেকে প্যারিসের বেল ইকিপ পানশালা। আর এ বার সেই তালিকায় জুড়ল জাকার্তার স্টারবাকসের নাম! ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী শহর জাকার্তায় হামলা চালাল ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিরা। শহরের সবচেয়ে সুরক্ষিত এবং গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় চলল দিনভর আত্মঘাতী হামলা, ধারাবাহিক বিস্ফোরণ, লাগাতার গুলির লড়াই। আর এই জঙ্গি হানা জনমানসে উস্কে দিল আইফেল টাওয়ারে আলো নেভার স্মৃতি। গত বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৪৯ মিনিট। আত্মঘাতী বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে জাকার্তার গুরুত্বপূর্ণ  এবং জনবহুল তামরিন স্ট্রিট। নিশানায় মার্কিন কফিশপ স্টারবাকস। এই তামরিন স্ট্রিটের ঘটনাস্তুল থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে রয়েছে প্রেসিডেন্টের বাসভবন, মার্কিন দূতাবাস। আর হামলার লক্ষ্য মার্কিন এই কফিশপের পিছনেই রয়েছে একটি সিনেমা হল। পাশেই সারিনা শপিং মল, হোটেল, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্ক। এই রাস্তাতেই রয়েছে জাতিসংঘের দফতর। ‘হাই প্রোফাইল’ এই [বিস্তারিত...]

 

 

ভিডিও লাইব্রেরি :


 

ইটিভি ইন্টারভিউ শাহ সূফি শেখ আমজাদ হোসেন প্রধান পৃষ্টপোষক হামিবা

০২৩ বর্ষপূর্তি বর্তমান সংলাপ

Load More

 

 

সত্য সন্ধানে সংলাপ