পাকিস্তানের উপর চীনের প্রভাব দিনে দিনে বাড়ছে বলে অভিজ্ঞমহল মতামত
দিচ্ছেন।
আগামী বছরগুলোতে দু'দেশের
সামরিক ও পরমাণু ক্ষেত্রে বোঝাপড়াও ক্রমশ আরো গভীর হ'বে।
এটা ভারতের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে উদ্বেগ আরো বাড়িয়ে তুলবে এই ধারণা একটি
ভারতীয়
'থিঙ্ক
ট্যাঙ্ক'
নয়াদিল্লিস্থ
'ইনস্টিটিউট
ফর ডিফেন্স স্টাডিজ অ্যান্ড অ্যানালিসিস'
নামে সংস্থা বলেছে,
কালে কালে পাক সরকার ও সেদেশের সেনা চীনের উপর বেশি বেশি করে নির্ভরশীল
হয়ে পড়বে।
পাক অধিকৃত কাশ্মীরেও চীনের ক্রমবর্ধমান তৎপরতার ব্যাপারে ভারতকে সতর্ক
হ'তে
হ'বে
বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
ভারত ও আমেরিকার আপত্তি উপেক্ষা করে পাকিস্তানকে যে কোনও পরিস্থিতিতে
সামরিক সাহায্য ও দু'টি
৬৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন পরমাণু চুল্লি তৈরির যে চুক্তি চীন ও
পাকিস্তানের মধ্যে হয়েছে,
তা ইসলামাবাদকে আরো শক্তিশালী করে তুলবে।
ভবিষ্যতে পাকিস্তান আরো ভঙ্গুর,
অস্থির হয়ে উঠতে পারে বলে ওই সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
পাকিস্তানে একাধিক ক্ষুদ্র,
তবে গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম গোষ্ঠী আছে যাদের সঙ্গে পাক তালিবানের সংঘর্ষ
হ'লে
তা পাকিস্তানকে ছোট ছোট
'পকেটে'
ভেঙে দিতে পারে বলেও মনে করছে ওই
'থিঙ্ক
ট্যাঙ্ক'।
এই প্রক্রিয়াটিকে
'লেবাননাইজেশন'
বলে উল্লেখ করেছে তারা।
অথবা এমনও হতে পারে যে পাকিস্তান ভেঙে টুকরো টুকরো হ'য়ে
অনেকগুলো ছোট ছোট রাষ্ট্রে বিভক্ত হ'য়ে
গেল।
সম্প্রতি পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে যে ভয়ানক তালিবানি হামলা হয়েছে,
তা ওই প্রতিবেদনের বক্তব্যকেই ঠিক বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন।
প্রতিবেদনটিতে এও বলা হয়েছে,
বিভিন্ন জায়গায় আলাদা আলাদা ক্ষমতার কেন্দ্র গড়ে উঠবে।
পাক সমাজ ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হ'য়ে
যাবে।
বালুচিস্তান,
সিন্ধু,
উত্তরপশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ প্রভৃতি প্রদেশগুলোও রেহাই পাবে না।