|
|
অস্ত্র ব্যবসায়ে অ্যামনেস্টির নিন্দা
সংলাপ
॥
অস্ত্র ব্যবসায়ে কোনো নিয়ন্ত্রণ না থাকায় অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
কঠোর ভাষায় বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলোর নিন্দা করেছে।
অ্যামনেস্টি বলেছে,
অনিয়ন্ত্রিত অস্ত্র ব্যবসার কারণে বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার লংঘন এবং যুদ্ধ
অপরাধ বাড়ছে।
আজ প্রকাশিত অ্যামনেস্টির এ প্রতিবেদনে বলা হয়,
বৃটিশ,
ফ্রান্স,
চীন,
রাশিয়া এবং মার্কিন পরিবহন কোম্পানিগুলো এমন সব দেশে অস্ত্র পৌঁছে দিচ্ছে
যেখানে ওসব অস্ত্র মানবাধিকার লংঘন এবং সহিংসতার কাজে ব্যবহার হতে পারে।
এদিকে,
বৃটেন ও জার্মানি গুচ্ছ বোমার ব্যবহার ও পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা বজায়
রাখার ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে দাবি করছে।
অথচ,
২০০৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বৃটিশ ও জার্মান কোম্পানিগুলো এ ধরনের
অস্ত্র পাকিস্তানে রফতানি করেছে।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়,
মেশিনগান এবং এন্টি এয়ারক্র্যাফট গানের যন্ত্রাংশের একটি চালান
বুলগেরিয়া থেকে ফ্রান্স ও কেনিয়া হয়ে কংগোতে যায় এবং সেখানকার যুদ্ধে
ব্যবহার হয়।
অ্যামনেস্টি বলছে,
কংগোতে ২ লাখ বিশ হাজারের বেশি মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়েছে।
সেখানে মানবাধিকার লংঘনের মারাত্মক ঘটনা ঘটেছে,
আর এসব অস্ত্র পরিবহন বন্ধে ব্যর্থতার জন্য বুলগেরিয়া,
ফ্রান্স এবং কেনিয়ার সরকার দায়ী।
জাতিসংঘ যখন অস্ত্র বাণিজ্য নিয়ে প্রস্তাবিত চুক্তির বিষয়ে নতুন করে
আলোচনার কথা বলছে তখন অ্যামনেস্টির এ প্রতিবেদন কিছুটা হলেও
বিশ্ববিবেককে নাড়া দেবে বলে চিন্তাবিদরা আশা করছেন।
|
|