* প্রবাহ *

 

                    

ফাতেমা তুজ জোহরা

 

 

কর্ণেল তাহেরের ফাঁসি গোপন বিচারের নথি তলব

 

* সরকারের প্রতি হাইকোর্টের রুলস ফাঁসি অসাংবিধানিক নয় কেন?

* তিন সপ্তাহের ভেতর জবাব দানের নির্দেশ

* আইন, স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং কারা মহাপরিদর্শক ও সুপারিনটেনডেন্টকে জবাব দিতে হবে

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার কর্নেল এম এ তাহেরের সামরিক আদালতে গোপন বিচার চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট মামলা দায়ের করা হয়েছেআবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত মামলার সকল নথি তলব করেছেপাশাপাশি তাহেরের গোপন বিচারের জন্য সামরিক আইনে জারি করা আদেশ এবং এর আওতায় গোপন বিচার ও তাহেরের ফাঁসি কার্যকর করাকে কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না তা জানাতে সরকারের প্রতি রুল জারি করা হয়েছেআইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, প্রতিরক্ষা সচিব, মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সচিব, কারা মহাপরিদর্শক ও ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সুপারিনটেনডেন্টকে তিন সপ্তাহের মধ্যে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে২৩ আগস্ট সোমবার বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ও বিচারপতি শেখ মোঃ জাকির হোসেনের বেঞ্চ একটি রিট আবেদনে এ আদেশ দেয়া হয়

কর্নেল তাহেরের ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম আনোয়ার হোসেন, তাহেরের স্ত্রী লুৎফা তাহের এবং সামরিক আদালতের বিচারে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ফ্লাইট সার্জেন্ট আবু ইউসুফ খানের স্ত্রী ফাতেমা ইউসুফ ২৩ আগস্ট সোমবার সকালে একই বেঞ্চে রিট আবেদন দাখিল করেনআদেশের পর আবেদনকারীদের আইনজীবী শাহদীন মালিক বলেন, কর্নেল তাহেরসহ ১৭ জনকে সামরিক আদালতের গোপন বিচারে ১৯৭৬ সালের ১৭ জুলাই সাজা দেয়া হয়এরপর ২১ জুলাই ভোররাতে কর্নেল তাহেরের ফাঁসি কার্যকর করা হয়সংবিধানে গোপন বিচারের কোন বিধান নেইরায়ের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না এমন বিধানও নেই১৯৭৬ সালে সামরিক আইনের আদেশের জন্য এই বিচারের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়নিবিচারের কোন কাগজপত্র কেউ পায়নিএটি ছিল মধ্যযুগীয় বিচারতিনি বলেন, আদালত এসব বিবেচনায় কর্নেল তাহেরসহ ১৭ জনের ওই বিচার সংক্রান্ত নথি তলব করেছেপাশাপাশি গোপন বিচারের জন্য জারি করা সামরিক আইনের আদেশ এবং এই বিচার ও সাজা কার্যকর করাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে তা জানতে চেয়েছে

আবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৭৫ সালের ২০ অগাস্ট সামরিক আইন জারির মাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশকে এর আওতায় আনা হয়এরপর ১৯৭৬ সালে আরেকটি সামরিক আইন আদেশ জারি করে তাহেরের গোপন বিচারের জন্য সামরিক আইন আদালত গঠন করা হয়উল্লেখ্য, ৭ নবেম্বর কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে সিপাহী অভ্যুত্থান হয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ ১২ দফা দাবি নিয়ে যে অভ্যুত্থান ঘটায় তার নেতৃত্ব দেন কর্নেল তাহেরযে প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, পরবর্তীতে চার জাতীয় নেতাকে হত্যা করা হয় তার বিরুদ্ধে সাধারণ সৈন্যগণ সোচ্চার হয়ে ওঠেনকর্নেল তাহের সেনাবাহিনীতে না থাকলেও তিনি এতে নেতৃত্ব দেন১২ দফা দাবির মধ্যে ছিল দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করা মুক্তিযুদ্ধের আলোকে সেনাবাহিনী গড়ে তোলা৭ নবেম্বর অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করা হয়মুক্ত হয়েই জিয়াউর রহমান বিচারের নামে কর্নেল তাহেরকে ফাঁসিসহ অন্যদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদানের প্রহসন করেনসে সময় তাহেরসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগ আনা হয়অভিযোগে বলা হয়, একটি বৈধ সরকারকে উচ্ছেদ করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে সেনাবাহিনী ভিতর বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছেএভাবেই দিত করা হয়েছিল

রিট আবেদনে আরও বলা হয়, "জিয়াউর রহমান তার ক্ষমতা পাকাপোক্ত করে ১৯৭৫ সালের ২৪ নবেম্বর তাহেরকে গ্রেফতার করেনঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে তাহেরসহ অন্যদের গোপন বিচার হয়ওই বিচারের নথি কেউ পায়নিএমনকি গ্রেফতারের পর বিচার পর্যন্ত কর্নেল তাহেরের সঙ্গে তার স্ত্রীর আর দেখা হয়নিঅনেক চেষ্টা করেও তিনি বিচার সংক্রান্ত কোন কাগজ পাননিআবেদনে আরও বলা হয়, রিট আবেদনকারী আনোয়ার হোসেনকেও বিচারে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়ফ্লাইট সার্জেন্ট আবু ইউসুফ খানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়এ ছাড়া আরও ১৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ড দেয়া হয়েছিলআনোয়ার হোসেন ও আবু ইউসুফ খান ১৯৮০ সালে মুক্তি পান

শুনানিতে শাহদীন মালিক বলেন, আপীল বিভাগ সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করেছেএ সংশোধনীতে বৈধতা দেয়া অনেক সামরিক আইন আদেশকে অবৈধ ঘোষণা করেছে উচ্চ আদালততবে আদালত অনেক বিষয় মার্জনাও করেছেড. শাহদীন মালিক আরও বলেন, আপীল বিভাগ যেসব বিষয় মার্জনা করেনি সেসব বিষয়ে হাইকোর্ট তার এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার কর্নেল তাহের বীর উত্তমের বিচার ও ফাঁসি চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করাকে অনেকেই সাধুবাদ জানিয়েছেনসম্প্রতি পঞ্চম সংশোধনী বাতিল করে সর্বোচ্চ আদালতের দেয়া রায়ের মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের পর সামরিক সরকারগুলোর কর্মকাণ্ড অবৈধ ঘোষণা করা হয়সে অনুযায়ী বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমের নেতৃত্বাধীন সামরিক সরকারের আমলে ১৯৭৬ সালের সামরিক আদালতে কর্নেল তাহেরকে মৃত্যুদণ্ড দেয়াটাও অবৈধ হওয়ার কথাএ বিষয়টি মাথায় রেখেই রিট দায়ের করা হয়েছেওই বিচারে যারা ছিলেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে জাতি গ্লানিমুক্ত হবে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে ১৯৭৬ সালের ২১ জুলাই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে কর্নেল তাহেরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদনও তিনি করেননিমৃত্যুর আগের দিন ২০ জুলাই স্বজনদের লেখা এক চিঠিতে তিনি লিখেছেন, মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে জীবনের দিকে তাকাই, তাতে তো লজ্জার কিছু নেইআমার জীবনে নানা ঘটনা আমাকে জাতির সঙ্গে দৃঢ় বন্ধনে আবদ্ধ করেছেএর মতো বড় সুখ, বড় আনন্দ আর কি হতে পারেএ দেশ সৃষ্টির জন্য আমি রক্ত দিয়েছিসেই দেশের জন্য আমি প্রাণ দেব যা আমার জাতিকে আলোকিত করবেএর চাইতে পুরস্কার আর কি হতে পারে চক্রান্তকারীরা আমাকে জনগণের কাছে হেয় করার মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেআতাউর রহমান খান ও অন্যদের বলব সত্য প্রকাশ তাদের নৈতিক দায়িত্বএই দায়িত্ব পালনে তারা যদি ব্যর্থ হন, তবে ইতিহাস তাদের ক্ষমা করবে না

কর্নেল তাহেরের ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আনোয়ার হোসেন বলেছেন, ২১ জুলাই ১৯৭৬ সালে মাত্র ৭২ ঘন্টার ব্যবধানে আমার ভাই কর্নেল তাহেরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়আমার আরও এক ভাই ফ্লাইট সার্জেন্ট আবু ইউসুফ তারও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়আমারও ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় অনাদায়ে আরও দু'বছরের জেল দেয়া হয়এই বিচার ছিল গোপনসেটা ঢাকা সেন্ট্রাল জেলের ডিআইজির রুমে হয়েছিলএই রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করার কোন সুযোগ ছিল নাআমরা পিতামাতার ৭ সন্তানআমরা ৪ ভাই মুক্তিযোদ্ধা ছিলামআমার পিতা-মাতা মারা যাওয়ার সময় দেখে গেছেন আমরা দেশদ্রোহী সংবিধানের ৫ম সংশোধনীর কারণে আমরা বিচার চাইতে পারিনিএখন যেহেতু ৫ম সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে, সে কারণেই আমরা পিটিশন ফাইল করেছি

ড. আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, ওই সময়ে ৫ সদস্য বিশিষ্ট সামরিক আদালতে চেয়ারম্যান ছিলেন, ব্রিগেডিয়ার ইউসুফ হায়দার, বিমানবাহিনীর উইং কমান্ডার রশীদ, নৌ বাহিনীর একজন অফিসারআর দু'জন ছিলেন বেসামরিক কর্মকর্তাসম্ভবত তারা ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেনএই মুহূর্তে তাদের নাম মনে পড়ছে না

ড. শাহদীন মালিক বলেন, এই বিচার ছিল মধ্যযুগীয়গোপন বিচার সংবিধানে নেইউন্মুক্ত বিচার হলো জবাবদিহিতার আসল জায়গাযে বিচার গোপনভাবে হয়, যার বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না সেটি বিচার হতে পারে নাসেখানে যে সমস্ত আইনজীবী ছিলেন তাদের শপথ করানো হয়েছিল বাইরে গিয়ে বিচারের কোন ঘটনা প্রকাশ করা যাবে না১৫১৬ শতাব্দীতে এ ধরনের বিচার হতো বাংলাদেশে এ রকম বিচার করে মুক্তিযোদ্ধাদের শাস্তি প্রদান করাটা বিচারের নামে ভয়াবহ প্রহসনসামরিক আদালতে বিচারের সময় সরকার পরে আইনজীবী ছিলেন, এটিএম আফজাল হোসেনআসামি ছিলেন আতাউর রহমান খান, আমিনুল হক, আব্দুর রউফ, শরীফ উদ্দিন চাকলাদার (বর্তমান বিচারপতি), গাজীউল হক

পঞ্চম সংশোধনী সম্পর্কে বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক এবং বিচারপতি এটিএম ফজলে কবির যে ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন, তার আলোকেই ২৯ বছর পর তাহের হত্যার মামলা করা সম্ভব হয়েছেএই রায়ে খন্দকার মোশতাক আহমেদ, আবু সাদাত মোঃ সায়েম ও জিয়াউর রহমানের ক্ষমতা গ্রহণের বিষয়টি অবৈধ হয়ে যায়এই রায়ে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সকল কর্মকাণ্ড 'অতীত ও সমাপ্ত' বিধায় তা মার্জনা করা হয়২০০৫ সালের ২৮ আগস্ট হাইকোর্ট সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়আপীল বিভাগও হাইকোর্টের রায় বহাল রাখায় সামরিক সরকারের সময় যে সমস্ত বিচার হয়েছিল তা এখন চ্যালেঞ্জ করে আদালতে রিট দায়ের করা হচ্ছে

 

মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ

 

মেহেরপুর বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার এখানেই প্রথম শপথ গ্রহণ করেমেহেরপুর মুজিবনগর স্বাধীনতার সূতিকাগারবাঙালির ইতিহাসে মেহেরপুর মুজিবনগর ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে আছেতৎকালীন প্রবাসী সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এমন একজন হচ্ছেন সুভাষ মল্লিক, বয়স ৬৬ বছরপরিচয় ঐতিহাসিক মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখেন তিনি নিয়মিতবিনা পারিশ্রমিকে গত ২০ বছর যাবৎ মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ ধোয়া মোছা ও পরিষ্কারসহ দর্শনার্থীদের ব্যাখ্যা করে আসছেন স্মৃতিসৌধের বর্ণনাবিদেশি দর্শনাথীদের ইংরেজিতে বর্ণনা করেন মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ নির্মাণ শৈলীর বিভিন্ন তথ্যেরকিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলেও সুভাষ মল্লিকের জন্য সামান্য কিছু করেনি কেউসুভাষ মল্লিক দুঃখ করে বলেন, ১৯৭৫ সালে শেখ কামাল পঙ্গু হাসপাতালে সিকিউরিটি গার্ড হিসাবে চাকরি পায়কিন্তু বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর চাকরি থেকে বাদ দিয়ে দেয়যার কারণে চাকরি না থাকায় ভবরপাড়া নিজ বাড়িতে চলে আসিপরে ১৯৯০ সাল হতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালোবাসায় নিঃস্বার্থভাবে মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ ধোয়া মোছা ও পরিষ্কারের কাজ এবং দর্শনার্থীদের কাছে এর নির্মাণশৈলী ব্যাখ্যা করে আসছিসংসার চলে কিভাবে এমন এক প্রশ্নের জবাবে সুভাষ মল্লিক বলেন, যারা স্মৃতিসৌধ দর্শনে আসেন তারা খুশি হয়ে কিছু টাকা দেয় তাই দিয়ে কোনভাবে চলিতবে সব সময় দর্শনার্থী থাকে নাসুভাষ মল্লিক জানান প্রবাসী সরকার শপথ নেয়ার সময় সেখানে তিনি উপস্থিত ছিলেনসরকারের কাছে তার কিছু চাওয়ার আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সুভাষ দুঃখ করে বলেন, সরকারের উচ্চ পর্যায়ের যারাই এখানে এসেছেন তাদেরই বলেছি তারা কথাও দিয়েছেন কিন্তু ঢাকায় যাওয়ার পরই সব ভুলে গেছেনতিনি বলেন, সুরঞ্জিত সেনগুপ্তসহ অনেককেই বলেছিসর্বশেষ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন তাজুল ইসলাম এখানে এলে তার কাছে আবেদন করেছি কিন্তু কোন কাজ হয়নিসরকার আমাকে কোনরকম অনুদান দেয়নিসরকার কিছু একটা করে দিলে জীবন চালানো সুবিধা হতো, কিন্তু কিছু না করে দিলেও আমি যতদিন বাঁচবো স্মৃতিসৌধের কাজ করে যাবমেহেরপুর উপজেলার ভবরপাড়া গ্রামের মৃত অনিল মল্লিকের ছেলে সুভাষ মল্লিক, স্ত্রী আন্নামল্লিক এক মাত্র কন্যা চিত্রা মল্লিককে নিয়ে তার সংসারসুভাষ মল্লিক জানান ১৯৬৪ সালে সেন্ট যোসেফ হাই স্কুলে দশম শ্রেণীর ছাত্র ছিলাম কিন্তু দারিদ্র্যতার কারণে এসএসসি পরীক্ষা দিতে পারিনিস্থানীয় সাংবাদিক জন অমৃত মন্ডল লিটন জানায় আমরা র্দীঘ দিন যাবৎ সুভাষ মল্লিককে দেখে আসছি এখানে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করতেমুজিব নগর পরিদর্শনে যারা আসেন তারা সুভাষ মল্লিকের কাছে স্মৃতিসৌধের বিস্তারিত ইতিহাস জানতে পারে অনেক দর্শনার্থী খুশি হয়ে তাকে কিছু দিলে তাই দিয়ে সে কোনভাবে চলেআমরা চাই সরকার যেন তার জন্য কিছু একটা করে

 

চীন সাময়িক শক্তি আরো বিস্তৃত করতে চায়

 

চীন তার সামরিক সক্ষমতা তাইওয়ান এবং তাইওয়ান থেকে আরো বহুদূর বিস্তৃত করতে চায়এশিয়ায় এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের ভূ-খণ্ড  গোয়াম পর্যন্ত হামলা করতে সক্ষম এমন শক্তি গড়ে তুলছে চীন

কংগ্রেসে উত্থাপিত এক বার্ষিক প্রতিবেদনে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ জানায়, চীন পারমাণবিক অস্ত্রসহ দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, ডুবো জাহাজ, বিমানবাহী যুদ্ধ জাহাজ ও সাইবার ওয়্যারফেয়ার দিয়ে তাদের সামরিক সরঞ্জামাদি সাজিয়ে নিচ্ছেপেন্টাগন জানায়, তাইওয়ানের সঙ্গে রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের উন্নতি সত্ত্বেও তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে চীনের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি কোন অংশে কমেনি২০০৮ সালে তাইওয়ানে বেইজিংয়ের পছন্দের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তাদের সম্পর্কের উন্নতি হয়তবে তাইওয়ান বলেছে, মার্কিন প্রতিবেদনের এই সংবাদ জানার পর তাইওয়ান এ বিষয়টি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মুখপাত্র ইউসি তুয়ে বলেন, তাইওয়ানের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগ চীন কখনো বন্ধ করেনিআমরা নিবিড়ভাবে চীনের সামরিক অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছিচীন মনে করে তাইওয়ান মূল ভূ-খণ্ডের সঙ্গে পুনরেকত্রীকরণের অপেক্ষায় আছে২০০৮ সালে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট মাইংজিও ক্ষমতা গ্রহণের পর তাদের সম্পর্কে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছেমাইংজিও বলেছেন, চীনের সঙ্গে কোন অস্ত্র প্রতিযোগিতায় এই দ্বীপ দেশটি নেইমার্কিন সামরিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, চীন তাদের সামরিক সক্ষমতা তাইওয়ানের বাইরেও বিস্তৃত করতে চায়ইতিমধ্যে প্রশান্ত মহাসাগরে গভীর সমুদ্রে মার্কিন যুদ্ধ জাহাজে আঘাত হানতে সক্ষম এমন দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত করেছেএতে বলা হয়, পূর্ব এশিয়ার সামরিক ভারসাম্যে একটি বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে চীনের এই সামরিক সক্ষমতায়এছাড়া চীন এশিয়া ও তাইওয়ান পর্যন্ত সামরিক অভিযান চালাতে পারবে

এদিকে চীনের সামরিক বিশেষজ্ঞরা তাদের আঘাত করার ক্ষমতা জাপান, ফিলিপাইনসহ দূর গোয়াম পর্যন্ত বিস্তৃত করতে চায়চীন দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে কাজ করছেতবে অস্ত্র ব্যবহারের জন্য সম্ভবত প্রযুক্তিগত অবকাঠামো তৈরিতে আরো কাজ করতে হবে পেন্টাগনের হিসাব মতে, ২০০৯ সালে চীনের সামরিক ব্যয় ১৫ হাজার কোটির বেশিতবে এটি এখনও মার্কিন প্রতিরক্ষা বাজেটের চেয়ে কমবিশ্বের বৃহত্তম প্রতিরক্ষা বাজেট হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাজেট

 

পাকিস্তানে ত্রাণ পাঠাবে বাংলাদেশ

 

পাকিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাহায্যার্থে বাংলাদেশ সরকার ত্রাণ পাঠাবেসম্প্রতি এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে রয়েছে তাঁবু, ওষুধ, পানিবিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, শুকনো খাবার

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের আহবানের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ এ ত্রাণ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য, খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে কবে, কিভাবে, কি পরিমাণ ত্রাণ পাঠানো হবে তা নির্ধারণ করবেজাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন পাকিস্তানের বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেনপরে তিনি এক সাংবাদিক সম্মেলনে বন্যার ভয়াবহতা উল্লেখ করে দুর্গত মানুষের সাহায্যের জন্য বিশ্বের প্রতি আহবান জানানউল্লেখ্য, জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে আফগান সীমান্তবর্তী পাকিস্তানের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় বন্যার প্রকোপ শুরু হয়ভয়াবহ বন্যায় এ পর্যন্ত প্রায় ২ কোটি লোক অক্রান্ত হয়েছেমারা গেছে অন্তত আড়াই হাজার মানুষতলিয়ে গেছে সমগ্র পাকিস্তানের এক চতুর্থাংশ এলাকা

 

ভারতে বন্যায় ২৩ সৈন্য নিহত

 

ভারতে সাম্প্রতিক বন্যায় ২৩ সৈন্য নিহত হয়েছেননিখোঁজ আছেন আরো ১২ জনতাদের খোঁজে অভিযান চলছেসম্প্রতি দেশটির বিমান বাহিনী এ তথ্য জানায়এক মুখপাত্র জানান, উত্তরের পাহাড়ি এলাকায় আকস্মিক বন্যায় ২৩ সৈন্য নিহত হয়েছেনতাদের মধ্যে তিনজন জুনিয়র কমিশনড অফিসার আছেন পাকিস্তানের সীমান্তের কাছের এলাকা কাশ্মীরের লাদাখে সেনা চৌকিতে বন্যা আঘাত হানেএতে ১২ সেনা এখনও নিখোঁজ আছেন বলে তিনি জানানবৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ লাদাখে দুইসপ্তাহ আগে আকস্মিকভাবে বন্যা দেখা দেয়৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ এ বন্যায় ২০৫ জন মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করা হয়তাদের মধ্যে ৬ জন পর্যটক ও ২৩ জন সৈন্য আছেনএখনও নিখোঁজ আছেন প্রায় ৪শ' জনভয়াবহ এ বন্যায় হাইওয়েসহ বিভিন্ন সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়স্থানীয় জনগণ ও বিপুল সংখ্যক পর্যটক এতে আটকা পড়েন

 

মিরপুরে পাঁচ বধ্যভূমি পরিদর্শন

 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার একটি দল রাজধানীর মিরপুরের আলোকদিতে ৫টি বধ্যভূমি পরিদর্শন করেছেএকাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রাজাকার-আলবদর বাহিনীর সহায়তায় পাকিস্তানি বাহিনী আলোকদিতে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে লাশগুলো ৫টি কূপে ফেলে মাটিচাপা দেয়তদন্ত সংস্থার সদস্যরা পাঁচটি কূপ পরিদর্শন করে দেখতে পান, ওই কূপগুলোর ওপর এখন ঘরবাড়ি তৈরি করে মানুষ বাস করছেতদন্ত সংস্থার সদস্যরা পার্শ্ববর্তী খেয়াঘাটও পরিদর্শন করেন, যেখানে লাইনে দাঁড় করিয়ে মানুষ হত্যা করা হতোপরিদর্শক দলে ছিলেন তদন্ত সংস্থার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আবদুর রহিম, প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক খান প্রমুখএকাত্তরে এই এলাকায় ব্যাপক হত্যাকান্ডের অভিযোগে ২০০৮ সালের ২৩ জানুয়ারি আমির হোসেন  মোল্লা পল্লবী থানায় একটি মামলা করেনএ মামলায় মতিউর রহমান নিজামী, মোহাম্মদ কামারুজ্জামান ও আবদুল কাদের মোল্লাকে আসামি করা হয়

 

ভারতের ভিসাঃ অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু

 

ভারতের ভিসা আবেদনকারীদের জন্য এখন থেকে অনলাইনে ফরম পূরণের বাধ্যবাধকতা শুরু হয়েছেঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে এ প্রক্রিয়া চালু হয়েছেএর ফলে ভিসার জন্য আবেদনকারীদের অনলাইনে ফরম পূরণ করে আবেদনপত্রের প্রিন্ট নিয়ে নির্ধারিত আবেদন কেন্দ্রে নির্দিষ্ট তারিখে জমা দিতে হচ্ছেঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত টোকেন ব্যবস্থার মাধ্যমে রাজশাহীতে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের মাধ্যমে রাজশাহী বিভাগে বসবাসকারীরা ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন

ভারতে যেতে আগ্রহীরা ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রের ওয়েবসাইটে অথবা ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের ওয়েবসাইটে ভিসার জন্য আবেদন ফরম পূরণ করে নিবন্ধন করতে পারবেন নিবন্ধনের পর আবেদনকারীকে অবশ্যই তার অনলাইন আবেদনপত্রের প্রিন্ট নিতে হবে এবং নির্ধারিত তারিখে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে ওই প্রিন্ট, বৈধ পাসপোর্ট ও প্রয়োজনীয় অন্য কাগজপত্র জমা দিতে হবে

হাইকমিশন আরো জানায়, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের আবেদনকারীরা ঢাকার গুলশান বা মতিঝিলে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রের মাধ্যমে আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেনসিলেট বিভাগের আবেদনকারীরা কেবল সিলেটস্থ ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে এবং চট্টগ্রাম বিভাগের আবেদনকারীরা কেবল চট্টগ্রামস্থ ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন নির্ধারিত তারিখের পরে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে আবেদনপত্রের প্রিন্ট গ্রহণ করা হবে নাতবে জরুরি চিকিৎসার জন্য ভারতে যেতে আগ্রহীরা নির্ধারিত তারিখের আগে ভিসা আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি জমা দিতে পারবেন

এ ধরনের আবেদনকারীরা চট্টগ্রাম ও ঢাকার গুলশানে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রের 'মেডিক্যাল হেল্প ডেস্ক'-এর সাহায্য নিতে পারেনএছাড়া পরিবারের এক সদস্য তার পরিবারের সর্বোচ্চ পাঁচজন সদস্যের পক্ষে অভিন্ন দিনে আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেনএছাড়া ৭০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তি, সংসদ সদস্য ও বিচার বিভাগের সদস্য, প্রতিষ্ঠিত কোম্পনির চেয়ারম্যান, সিইও, ম্যানেজিং ডিরেক্টর বা তাদের পরিবারের সদস্যরা তাদের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে ভিসা আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেনতবে এ ক্ষেত্রে প্রতিনিধিদের অবশ্যই বৈধ প্রতিনিধিত্বের অনুমোদন বা প্রমাণ দিতে হবে

অনলাইনে ফরম পূরণ করে ভিসা আবেদন বিষয়ে আরো তথ্যের জন্য ঢাকার গুলশানে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রের ম্যানেজারের (প্রশাসন) সঙ্গে টেলিফোনে ৮৮৩৩৬৩২ ও ৯৮৯৩০০৬ নম্বরে, ফ্যাক্সে ৯৮৬৩২২৯ এবং ই-মেইলে (রহভড়-রাধপনফ.পড়স) যোগাযোগ করা যাবে

 

ঢাকায় আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবিরোধী সম্মেলন

 

আগামী নভেম্বরে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস বিরোধী এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী তৎপরতা বন্ধে সাধারণ মানুষ, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণ ও গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সংগঠন গ্লোবাল এলায়েন্স ফর হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এ সম্মেলনের আয়োজন করবেসম্প্রতি সংগঠনটির এশীয় আঞ্চলিক ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম মেহরাজের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই সম্মেলনের কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন প্রতিনিধি দল যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের দুই প্রভাবশালী সদস্য যোসেফ ক্রাউলি ও পিটার কিং লেখা পত্র পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করে

 

সেরা দেশের তালিকাঃ বাংলাদেশ ৮৮তম

 

বিশ্বের ৮৮তম সেরা দেশ বাংলাদেশপ্রথম সেরা দেশটি হচ্ছে ইউরোপের ফিনল্যান্ড বিশ্ববিখ্যাত ম্যাগাজিন নিউজউইক বিশ্বসেরা দেশসমূহের তালিকা প্রণয়ন করেছে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অর্থনীতি ও রাজনীতি বিশ্লেষণে তৈরী করা হয়েছে এই তালিকাএই তালিকায় বাংলাদেশের প্রতিবেশি ভারত ৭৮তম সেরা দেশের স্বীকৃতি পেয়েছেঅপরদিকে পাকিস্তান আছে বাংলাদেশের ঠিক পরের স্থানটিতে অর্থাৎ ৮৯তম স্থানেচীন ৫৯তম আর শ্রীলংকা ৬৬তম সেরা দেশ নিউজউইকের এই তালিকায়শীর্ষ ২০টি দেশের মধ্যে এশিয়ার জাপান, কোরিয়া ও সিঙ্গাপুর মাত্র এই তিনটি দেশ ঠাঁই পেয়েছেতালিকা অনুযায়ী বিশ্বসেরা ফিনল্যান্ডের পর দ্বিতীয় স্থানে আছে সুইজারল্যান্ড এবং তৃতীয় সুইডেনচতুর্থ সেরা দেশটি অস্ট্রেলিয়াঅপরদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১১তম, জার্মানী ১২তম এবং যুক্তরাজ্য ১৪তম সেরা দেশকিসের ভিত্তিতে বিশ্বসেরা দেশের এই তালিকা তৈরী করা হয়েছে? নিউজউইকের ডেপুটি এডিটর রানা ফুরোহার এ প্রসঙ্গে বলেছেন, 'এই মুহূর্তে যে শিশু জন্ম নেবে, বিশ্বের কোন দেশটি তাকে সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যকর, নিরাপদ ও উন্নত জীবন-যাপনের সুবিধা দিতে পারবেতালিকাটি এই প্রশ্নেরই উত্তর'

 

পেন্টাগনের হামলাস্থলের কাছে নামাজের স্থান

 

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর টুইন টাওয়ারের পাশাপাশি পেন্টাগনেও ইসলামী জঙ্গিদের ছিনতাই করা একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছিলওই স্থানের কাছাকাছি নির্ধারিত স্থানে মুসলমানরা নিয়মিত নামাজ আদায় করেন নিউইয়র্কের ৯/১১ হামলাস্থলের কাছাকাছি একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে যে তুমুল রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে তার পরিপ্রেক্ষিতে পেন্টাগনের এ বিষয়টি সামনে চলে আসে২০০২ সালে নানা ধর্মবিশ্বাসীদের অভিন্ন প্রার্থনাস্থল হিসেবে এই স্থানে খ্রিস্টীয় উপাসনালয়টি পুনঃসংস্কার করা হয়মুসলিম, ইহুদি, ক্যাথলিক, প্রোটেস্ট্যান্ট, মর্মন ও ইপিসকাপেইলিয়ানরা এখানে এসে তাদের প্রার্থনা করে যান পেন্টাগনের এক সেনা মুখপাত্র জর্জ রাইট বলেন, আগামী মাসে এখানে আমার চার বছর পূর্ণ হবেকিন্তু এই উপাসনালয় কিংবা এর কাজকর্ম কখনোই আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়নি সন্ত্রাসী হামলার শিকার ম্যানহাটনের বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রের কাছে একটি মসজিদ ও কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণের পরিকল্পনায় মার্কিন জনগণ প্রকাশ্য প্রতিবাদ জানাচ্ছেবিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক বিভক্তি তৈরি হয়েছে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা যিনি একজন ডেমোক্রেট এবং নিউইয়র্কের নির্দলীয় মেয়র মাইকেল বুমবার্গ গ্রাউন্ড জিরোর কাছাকাছি বেসরকারি পর্যায়ে এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণের মুসলমানদের যে অধিকার তার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেনকিন্তু রিপাবলিকানরা এ বিষয়কে পুঁজি করে ওবামার ওপর আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে নিউইয়র্কের প্রকল্প নিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝেই যখন টেলিভিশন টকশোতে দাবি করা হয়, পেন্টাগনের কাছেও একটি মসজিদ রয়েছে, তখন এ উপাসনালয়টি সবার সামনে চলে আসে

 

শুধু শূন্য নয়, ক্যালকুলাসের জন্মও ভারতেঃ মার্কিন গণিতবিদ

 

শুধু শূন্যই নয়, গণিত শাস্ত্রটিকে এক লাফে আধুনিক করে দেয়া ক্যালকুলাসের আবিষ্কারও ভারতেএ দাবি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিয়ন কলেজের অধ্যাপিকা ক্লিম পোফকেরতিনি এমন একটি ভাষা লিখতে চেয়েছিলেন, যার অক্ষরটা হবে বিচিত্রসেই থেকে সংস্কৃতিতে হাতেখড়ি, প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা নিয়ে গবেষণা, ভারতবাস এবং সেই চর্চার ফসল ম্যাথমেটিক্স ইন ইন্ডিয়াগবেষক মহলে সাড়া ফেলে দেয়া সেই বইতেই ক্যালকুলাসের উৎস ভারতে বলে জানিয়েছেন কিম পোফকেরসম্প্রতি হায়দরাবাদে ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অব ম্যাথমেটিশিয়ানের আইসিএম ২০১০ দ্বিতীয় দিনে কিম পোফকের আনন্দবাজারকে বললেন, ক্যালকুলাস বলতে যদি শুধু জটিল আকৃতির জায়গার ক্ষেত্রফল কিংবা বিচিত্র আকারের বস্তুর আয়তন বারবার করার পদ্ধতি ধরেন, তাহলে মানতে হবে সেটা পশ্চিমের আবিষ্কারকিন্তু ক্যালকুলাসের উৎস শুধু সেটা হতে পারে না ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র পরিমাণ বা সংখ্যা নিয়ে ভাবনাও তো আমাদের ক্যালকুলাসের দিকে নিয়ে যায়সেই চিন্তা ভারতে প্রথম হয়েছিলসপ্তম শতাব্দীতেপশ্চিমে তখনও ক্যালকুলাস আসেনি ক্যালকুলাসের অনেক আগে ভারতে আবিষ্কৃত হয়েছিল শূন্যর ধারণাসেই থেকে অংকে দশমিক ব্যবস্থা বা পেস ভ্যালু সিস্টেম (শুধু '' আর ৩৫৭-র মধ্যেকার ৫ যে এক জিনিস নয়)তবে এই দুটো ধারণার আবিষ্কারের সন-তারিখ সঠিক বলা যায় নাতবে পোফকের বললেন, খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দীতে শূন্য এবং পেস ভ্যালু সিস্টেমের স্পষ্ট উল্লেখ পাওয়া যাচ্ছে

 

মিয়ানমার বিদ্যুৎ রফতানি করতে চায় বাংলাদেশ

 

মিয়ানমার বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রফতানি করতে আগ্রহীউভয় দেশের সরকারি পর্যায়ে সমঝোতা হলে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা যাবেইতোমধ্যে অনানুষ্ঠানিকভাবে মিয়ানমারের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা সফর করেছেশিগগিরই ঢাকা থেকে একটি প্রতিনিধি দল রাখাইন যাবেসংশিষ্ট সূত্রমতে, এ বিষয়ে সরকারি পর্যায়ে সমঝোতা হলে মিয়ানমারের ব্যক্তিখাতের উদ্যোক্তা বিদ্যুৎ রফতানি করবেসূত্র জানায়, ২০০৯ সালের ৭ ও ৮ এপ্রিল মিয়ানমারের নেপিটাতে জয়েন্ট ট্রেড কমিশনের (জেটিসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়ওই সভায় মিয়ানমার থেকে বিদ্যুৎ আমদানির বিষয়ে বাংলাদেশ আগ্রহ প্রকাশ করে মিয়ানমারও বিদ্যুৎ রফতানির ব্যাপারে আগ্রহী থাকলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে তা অগ্রসর হতে পারেনিমিয়ানমার প্রতিনিধি দল এ ব্যাপারে ঢাকা সফর করলেও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এটা হচ্ছে অনানুষ্ঠানিক সফরপিডিবি'র চেয়ারম্যান আলমগীর কবীর জানান, মিয়ানমার বিদ্যুৎ রফতানির বিষয়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে প্রস্তাব দিয়েছে মিয়ানমারের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা সফর করে গেছেবাংলাদেশ থেকেও একটি প্রতিনিধি দল যাবেতার মতে, মিয়ানমার থেকে বিদ্যুৎ আমদানির বিষয়ে বেশ সময় লাগবেঅসহনীয় বিদ্যুৎ সংকট মোকাবেলায় সরকার প্রতিবেশী ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করছেবিনা টেন্ডারে কুইক রেন্টাল পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ কেনারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকারএ লক্ষ্যে সরকার কাজও করে যাচ্ছেচলমান বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সরকার পথ নকশা অনুযায়ী কাজ করছে বাংলাদেশ-মিয়ানমার বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের সভাপতি সৈয়দ মাহমুদুল হক জানান, মিয়ানমারের ব্যক্তি উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত বিদ্যুৎ রফতানি করার আগ্রহ রয়েছে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র তৈরি করছে সেখান থেকেও বিদ্যুৎ রফতানি করতে চায়সমঝোতা করা গেলে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি সম্ভব হবেসূত্র জানায়, আগামী ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকায় জেটিসি'র সভায় বিদ্যুৎ আমদানির বিষয়টি গুরুত্ব পাবেএ লক্ষ্যে রোববার আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

 

মন্ত্রিসভায় উড়াল পথ প্রকল্প অনুমোদন

 

ঢাকা মহানগরীর যানজট নিরসনে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত উড়াল পথ (এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে) নির্মাণ প্রকল্প মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন পেয়েছে২০১১ সালে  শুরু হয়ে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০১৩ সালের মধ্যেএর জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ২৩ আগস্ট সোমবার তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদেও একথা জানান

এর আগে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও সচিবরা এতে উপস্থিত ছিলেনআবুল কালাম আজাদ বলেন, "প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান ঢাকার যানজট নিরসন হোকতাই তার নির্দেশেই যোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয় মন্ত্রিসভা প্রস্তাবটি অনুমোদন দিয়েছে।"

সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে উড়াল পথ (এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে) নির্মাণে বিনিয়োগকারীদের প্রাক-যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য গত বছরের ১৯ ও ২০ নভেম্বর আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়এতে নয়টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়ড. জামিলুর রেজা চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত কমিটি যাচাই-বাছাই করে চারটি প্রতিষ্ঠানকে যোগ্য বলে মতামত দিয়েছেএ চারটি প্রতিষ্ঠানকেই চূড়ান্ত বিনিয়োগকারী হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- ইতালিয়ান থাই ডেভেলপমেন্ট পাবলিক কোম্পানি লি. (থাইল্যান্ড, সিকদার রিয়াল এস্টেট- কেসিসি জেভি (বাংলাদেশ-কোরিয়া), গামন ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রজেক্টস লি.- বগাস ট্রাভক্স পাবলিকস এস এ কনসর্টিয়াম (ভারত-ফ্রান্স) এবং চায়না রেলওয়ে ইন্টারন্যাশনাল লি. (চায়না)

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শুরু হয়ে চার লেইন বিশিষ্ট উড়াল পথটি কুড়িল, মহাখালী, তেজগাঁও সাতরাস্তা, মগবাজার, খিলগাঁও, কমলাপুর, গোলাপবাগ ও সায়েদাবাদ দিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত বিস্তৃত হবে পরবর্তীতে তা ঢাকার বাইরে বাইপাস সড়কের সঙ্গেও যুক্ত হবেকুড়িল, মহাখালী, মানিক মিয়া এভিনিউ, পলাশী ও মগবাজারে এর বাইলেন নামবেভবিষ্যতে এ পথটি কাঁচপুর ও নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত বিস্তৃত করা হবে বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব জানান

প্রধানমন্ত্রী প্রেস সচিব জানান, এ প্রকল্পের বেশিরভাগই সরকারি জমিরেলওয়ের জমি এ সড়ক নির্মাণে ব্যবহৃত হবেফলে প্রকল্পের কাজটি দ্রুত শুরু ও শেষ করা সম্ভব হবেএ ছাড়া সার্ক বাণিজ্য চুক্তি অনুসমর্থণের বিষয়েও অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভাএ চুক্তির ফলে বাণিজ্য, শিক্ষা ও জ্বালানি খাতে ভবিষ্যতে সার্কভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে

 

ভারতীয় কাপড়ে সয়লাব দেশীয় বাজার

 

আসন্ন ঈদ ও দুর্গা উৎসবকে টার্গেট করে চোরাচালানিরা মরিয়া হয়ে ওঠেছেবেনাপোল সীমান্ত স্থলবন্দর দিয়ে অবৈধপথে আসছে ভারতীয় কাপড়ের বৃহৎ চালানবেনাপোল, শার্শা, নাভারন, ঝিকরাছা, যশোর, খুলনা, নওয়াপাড়া বাজার ভারতীয় বিভিন্ন ডিজাইনের কাপড়ে সয়লাব হয়ে গেছে ভারতীয় কাপড়ে বাজার দখল করায় দেশের গার্মেন্ট শিল্প পড়েছে হুমকির মুখেসীমান্ত থেকে বিডিআরের হাতে আটক হচ্ছে কোটি কোটি টাকার ভারতীয় কাপড়৫শ' থেকে ৫০ হাজার টাকা মূল্যের সালোয়ার-কামিজ, শাড়ি থ্রি-পিস লেহেঙ্গা, শার্ট, বেডশিটের কাপড় ক্রেতাসাধারণের নজর কাড়ছেবিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঈদ ও দুর্গা উৎসবকে সামনে রেখে ক্রেতাসাধারণের মধ্যে আগাম পোশাক, প্রসাধনী, স্যান্ডেল ক্রয়ের ধুম পড়ে গেছেভারতীয় কাপড়ের চাহিদা ও বেচাকেনা হচ্ছে বেশিদেশীয় ভালমানের গার্মেন্টস সামগ্রীর প্রতি বিশেষ করে মহিলাদের চাহিদা রয়েছে কম ঢাকা-কলকাতাগামী পরিবহনগুলোতে ও আমদানি রপ্তানিবাহী ট্রাকে বিশেষ ব্যবস্থায় আসছে এসব কাপড়ের চালান৩ দিনের ব্যবধানে বিডিআর ও কাস্টমসের হাতে ৩ কোটি টাকার ভারতীয় কাপড় ও জুতার চালান আটক হয়েছেএকটি সংঘবদ্ধ পাচার চক্রের সদস্যরা দেশীয় বাজারে নিম্নমানের ভারতীয় পণ্যের পসরা সাজাতে মরিয়া হয়ে ওঠেছেগত ২২ আগস্ট রোববার বেনাপোল আইসিপি ক্যাম্পের বিডিআর আমড়াখলি নামক স্থান থেকে ঢাকা-কলকাতাগামী পরিবহনে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করে প্রায় কোটি টাকা মূল্যের লেহেঙ্গা শাড়ি, প্যান্ট, থ্রি-পিসসহ বিভিন্ন ধরনের গার্মেন্ট সামগ্রীগত ২১ আগস্ট শনবিার একই এলাকা থেকে যশোরগামী একটি পরিবহনে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২০ লাখ টাকা মূল্যের গার্মেন্ট সামগ্রী আটক করে বিডিআর

 

 

(দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পত্রিকা হতে সংগৃহীত)