|
ইরানের
চালকবিহীন বিমান
সংলাপ
॥
ইরানে তৈরি
প্রথম দীর্ঘপাল্লার চালকবিহীন যুদ্ধ বিমান বা ইউএভি'র
উদ্বোধন করা হয়েছে।
প্রতিরক্ষা শিল্প দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে
'কারার'
নামে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এ চালকবিহীন বিমানের উদ্বো ধন
করা হয়।
অনুষ্ঠানে ইরানের প্রেসিডেন্ট ড.মাহমুদ আহমাদিনেজাদসহ উচ্চ পদস্থ সামরিক
কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইরানি
চালকবিহীন বিমান
'কারার'
ভূমিতে অবস্থিত যে কোনো লক্ষ্যবস্তুর ওপর বোমা হামলা চালাতে পারে ও খুবই
দ্রুতগতিতে দীর্ঘপথ পাড়ি দিতে সক্ষম।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পখাতে চোখ ধাঁধাঁনো অগ্রগতি
হয়েছে।
ইরান
নানা ধরণের সাঁজোয়া যান,
ডুবোজাহাজ,
যুদ্ধজাহাজ,
জঙ্গি বিমান এবং ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে।
এদিকে চালকবিহীন
বিমান 'রাদ' ও 'নাজির' এর উৎপাদন এরই মধ্যে শুরু করা হয়েছে।
দুই বিমান বোমাবর্ষণ ও নজরদারির কাজে ব্যবহার করা যাবে।
'রাদ' বা বজ্র এবং 'নাজির' বা অগ্রদূত দীর্ঘপাল্লার জন্য বিশেষভাবে
তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানি কর্মকর্তারা। গত
ফেব্রুয়ারিতে এ দু'টি বিমান তৈরির কারখানা উদ্বোধন করা হয়।
ইরাকের চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধের সময় ইরান অস্ত্র উন্নয়ন কর্মসূচী চালু করে।
এ যুদ্ধ ১৯৮০ সাল থেকে শুরু হয় '৮৮ সাল পর্যন্ত চলেছে।
ইরাক যুদ্ধের সময় মার্কিন ও তার পাশ্চাত্যের মিত্রদের অস্ত্র
নিষেধাজ্ঞা মোকাবেলার জন্য ইরান অস্ত্র উন্নয়ন কর্মসূচী শুরু করে।
১৯৯২ সাল থেকে ইরান নিজেই ট্যাংক, সাঁজোয়া যান, ক্ষেপণাস্ত্র ও
যুদ্ধবিমান তৈরি করতে শুরু করে এবং ২০০৯ সালের জুন মাসে ইরান রাডার ফাঁকি
দিতে সক্ষম চালকবিহীন বোমারু বিমানের সফল পরীক্ষা চালায়।
২০০৮ সালে ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্প দেশে তৈরি সায়কে বা বজ্র ও আজারখশ
বা বিদ্যুৎ নামে দু'টি বিমান তৈরি শুরু করে। |